আর্থিক বিবরণী
শিখনফল –
শিখনফল –
এনজিও হচ্ছে বেসরকারি সংস্থা (Non-government Organization)। বেসরকারি সংস্থাগুলো উদ্যোক্তাদের প্রেরণামূলক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে থাকে। এতে উদ্যোক্তারা ব্যবসায় গঠনে আগ্রহী হয়। তারা দেশি-বিদেশি এনজিওর মাধ্যমে এসব সুবিধা পেয়ে থাকে। ব্র্যাক, মাইডাস, গ্রামীণ ব্যাংক, আশা প্রভৃতি বাংলাদেশের এনজিও।
সমাজ ও সমাজ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি ব্যবসায়ের কর্তব্য পালনের দায়ই হলো ব্যবসায়ের সামাজিক দায়িত্ব। ব্যবসায় সমাজ থেকে ইনপুট কাঁচামাল হিসেবে নেয় এবং পরিণত পণ্য আবার সমাজই বিপণন করে। উৎপাদক, সরবরাহকারী, ক্রেতা, ভোক্তা এলাকা, সরকার প্রভৃতি পক্ষের সমষ্টিই হলো সমাজ। আর মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি এসব পক্ষের জন্য কল্যাণকর কাজ করাই হলো ব্যবসায়ের সামাজিক দায়িত্ব।
বিপণনের ক্রয়-বিক্রয় কাজটির মাধ্যমে পণ্যের মালিকানা হস্তান্তরিত হয়। উৎপাদনের পর উৎপাদক পণ্যের মালিকানা লাভ করে। উৎপাদক পণ্য বিক্রি করলে সেই পণ্যের মালিকানা পাইকারের কাছে হস্তান্তরিত হয়। আবার ক্রেতা বা ভোক্তা পণ্য কেনার মাধ্যমে পাইকার বা খুচরা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মালিকানা লাভ করেন। এভাবে ক্রয় – বিক্রয়ের মাধ্যমে পণ্যের মালিকানা হস্তান্তরিত হয়।
ব্যবসায় বা প্রকল্প নির্বাচনের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কিছু সাধারণ বা সামগ্রিক উপাদান দ্বারা প্রভাবিত পরিবেশ হলো সামষ্টিক পরিবেশ।এ পরিবেশের উল্লেখযোগ্য উপাদান হলো – জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক, প্রাকৃতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আইনগত পরিবেশ। এ উপাদানগুলো প্রতিষ্ঠানের বাহ্যিক অন্তর্গত। এতে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।
একটি ব্যবসায়ের গ্রহণযোগ্যতা ও লাভজনকতা অনেকাংশে নির্ভর করে ঐ দেশের জনসংখ্যার ওপর। জনসংখ্যার ঘনত্ব, বয়সভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ প্রভৃতি কেন্দ্র করে মানুষের চাহিদা বিভিন্ন ধরনের হয়। যে পণ্যের চাহিদা বেশি সেই পণ্য উৎপাদন করা ব্যবসায়ের জন্য লাভজনক। তাই জনগণের চাহিদা নিরূপণের মাধ্যমে প্রকল্প নির্ধারণ করতে হয়।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে দেশের ঐতিহ্যকে পালন করে আসায় জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক বলা হয়। দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির চর্চা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মাধ্যমে হচ্ছে। এ শিল্পের দেশীয় ঐতিহ্য ও শিল্পকলা সংরক্ষণে ভূমিকা অনস্বীকার্য। পাটের ব্যাগ, পাটের স্যান্ডেল, চীনামাটির জিনিসপত্র প্রভৃতি পণ্য দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বহন করে। তাই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে দেশের ঐতিহ্য … Read more
ট্রাফিক কাকে বলে? ট্রাফিক বলতে– ট্রাফিক সিগন্যাল কত প্রকার বা ট্রাফিক সংকেত কত প্রকার ও কি কি? ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত ৩ প্রকার। যথা- ১) বাহুর সংকেত২) আলোর সংকেত৩) শব্দ সংকেত ১. বাহুর সংকেতঃ পুলিশ কর্মকর্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি, ড্রাইভার এবং যানবাহন স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি অফিসার এবং ট্র্যাফিক অফিসার ইত্যাদি অনুমোদিত ব্যক্তিদের দ্বারা ব্যবহৃত সংকেতকে বলা হয় … Read more