ব্যুরেট কী? ব্যুরেট কাকে বলে?

ব্যুরেট হচ্ছে স্টপকর্ক যুক্ত ও সুষম ছিদ্র বিশিষ্ট দাগাংকিত একটি কাঁচনল যাতে অজানা বা জানা দ্রবণ নিয়ে টাইট্রেশনের মাধ্যমে অপরটির ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়।নির্দিষ্ট আয়তনের কোন তরল পদার্থ কোথাও স্থানান্তর করতে ব্যুরেট ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে  1 মি.লি. এর 10 ভাগের একভাগ পর্যন্ত সূক্ষ্মভাবে আয়তন পরিমাপ করা যায়। ব্যুরেট ব্যবহার করার জন্য প্রথমে একে পরিষ্কার … Read more

ল্যাবরেটরিতে গ্লাস সামগ্রীকে কেন পরিষ্কার করে রাখা হয়?

পরীক্ষাগারে গ্লাস সামগ্রীকে পরিষ্কার রাখার কারণগুলো হলো – ১) অপরিষ্কার পাত্রে বিক্রিয়া ঘটালে / অপরিষ্কার পাত্র নিয়ে কাজ করলে পরীক্ষার ফলাফল সঠিক পাওয়া যায় না।২) অনেক কাচপাত্র মূল্যাবান যেগুলো পরিষ্কার না করলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

পরিমাপক ফ্লাস্ক কী?

চোঙাকৃতির এক মুখ বন্ধ ও অন্য মুখ খোলা মিলিলিটারে দাগাঙ্কিত মোটা কাচনল যার সাহায্যে ল্যাবরেটরিতে তরল পরিমাপ করা হয় তাকে পরিমাপক ফ্লাস্ক বলে।

ব্যুরেট পাঠ নেওয়ার সময় তরলের নিম্নতর মিনিসকাস ব্যুরেটের দাগ ও চোখের দৃষ্টিরেখা ভিন্ন সরলরেখায় হলে কী সমস্যা হত – ব্যাখ্যা কর।

ব্যুরেটে রক্ষিত দ্রবণের পরিমাণ বা আয়তনের পাঠ নেওয়ার সময় তরলের নিম্নতর মিনিসকাস, ব্যুরেটের দাগ ও চোখের দৃষ্টিরেখা একই সমতলে থাকতে হবে। যদি এর ব্যতিক্রম ঘটে তাহলে ব্যুরেটে রক্ষিত দ্রবণের আয়তন গঠিত হবে না এবং বিক্রিয়ার সময় কম বা বেশি যৌগ ব্যবহৃত হবে।  সুতরাং বিক্রিয়ার ফলাফলে ভিন্নতা দেখা দিবে।

গার্হস্থ্য হিংসা কাকে বলে?

গার্হস্থ্য হিংসা শুধুমাত্র শারীরিক আক্রমণ নয়। স্বামী অথবা স্ত্রী, ছেলে / মেয়ে, বন্ধু, অথবা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কিত পারিবারিক সদস্যের উপর ক্ষমতা প্রয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ কায়েম করার উদ্দেশ্যে যে কোন আচরণই গার্হস্থ্য হিংসা। যে কোনো শারীরিক কিংবা মানসিক নিপীড়ন হোক তা কোনো আকস্মিক ক্রোধবসতো কিংবা মানসিক অসুস্থ্যতাপ্রসূত অথবা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় করা আক্রমণ নয়। গার্হস্থ্য হিংসা (গার্হস্থ্য নির্যাতন … Read more

পরীক্ষাগারে প্রাইমারী স্ট্যান্ডর্ড পদার্থ বলতে কী বোঝায়?

যে সব পদার্থের দ্রবণের ঘনমাত্রা বায়ুর উপাদান দ্বারা সহজে আক্রান্ত হয় না এবং দীর্ঘদিন পর্যন্ত যাদের ঘনমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে তাদেরকে প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে।  যেমনঃ K2Cr2O7, Na2CO3। এজন্যই এই দ্রবণগুলো প্রমাণ দ্রবণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

পরীক্ষাগারে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।

প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্য তিনটি – জীবন রক্ষাঃ প্রতিটি প্রাথমিক মেডিকেল সহায়তার প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন রক্ষা। অধিকতর ক্ষতির আশঙ্কা নিরোধঃ এতে বাহ্যিক ফ্যাক্টর বিবেচনা করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যত্র সরিয়ে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা কৌশলগুলো প্রয়োগ করে বিপদজ্জনক রক্তপাত থেকে রক্ষা করা হয়। নিরাময় উন্নীতকরণঃ আক্রান্ত ব্যক্তিকে ফার্স্ট এইড প্রক্রিয়ায় … Read more

error: Content is protected !!