হাইড্রোকার্বন কি?
কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগকে হাইড্রোকার্বন বলে। যেমন- মিথেন,ইথেন ইত্যাদি।
কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগকে হাইড্রোকার্বন বলে। যেমন- মিথেন,ইথেন ইত্যাদি।
লোহায় মরিচা ধরার কারণঃলোহা শক্ত কিন্তু মরিচা ভঙ্গুর। বিশুদ্ধ লোহা জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিতে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে লোহার অক্সাইড নামক এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থে পরিণত হয়। এই রাসায়নিক পদার্থের কারণেই লোহায় মরিচা ধরে।
মরিচার সংকেত হলো Fe2O3·nH2O.
তেজষ্ক্রিয় রশ্মি চিহ্নটি ১৯৪৬ সালে আমেরিকাতে প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল। চিহ্নটিকে ট্রিফয়েলও বলা হয়। এটি দ্বারা অতিরিক্ত ক্ষতিকর আলোক রশ্মিকে বুঝানো হয়। এ ধরনের রশ্মি মানবদেহকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে এবং শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের রশ্মি সম্বলিত কোনো জিনিস নিয়ে কাজ করার সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায়, উপযুক্ত পোশাক পরিধান করা, চোখে বিশেষ ধরনের … Read more
তেজস্ক্রিয় রশ্মি চিহ্নকে ট্রিফয়েল বলা হয়। এটি দ্বারা অতিরিক্ত ক্ষতিকর আলোক রশ্মিকে বোঝানো হয়।
কাঠ, কয়লা পোড়ানো একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। কারণ কাঠ, কয়লা মূলত কার্বনের যৌগ দিয়ে গঠিত। যেমন- কাঠ হলো প্রধানত সেলুলোজ। কাঠ, কয়লা জ্বালানোর অর্থ প্রকৃতপক্ষেই কার্বন যৌগের দহন যা এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া। এর ফলে কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাস, জ্বলীয় বাষ্প ও তাপের উৎপাদন ঘটে। তাই কাঠ, কয়লা পোড়ানো এক ধরনের রাসায়নিক পরিবর্তন।
রসায়নে অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার ধাপ মোট ৭টি। ধারাবাহিকভাবে ধাপগুলো নিম্নরূপ- ১. বিষয়বস্তু নির্ধারণ২. বিষয়বস্তু সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানার্জন৩. কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন৪. ফলাফল সম্পর্কে আগাম ধারণাকরণ৫. পরীক্ষণ ও তথ্য – উপাত্ত সংগ্রহ৬. তথ্য – উপাত্ত এর সংগঠন ও বিশ্লেষণ৭. বিজ্ঞান ও মানব কল্যাণে প্রভাব।
G.H.S -এর পূর্ণরূপ হলো Globally Harmonized System.