তড়িৎ মাধ্যমাঙ্ক কী?
দুটি বিন্দু চার্জের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্বে শূন্যস্থানে ক্রিয়াশীল বল ও ঐ দুই চার্জের মধ্যে একই দূরত্বে অন্য কোনো মাধ্যমে ক্রিয়াশীল বলের অনুপাত যে ধ্রুব সংখ্যা হয় তাকে ঐ মাধ্যমের তড়িৎ মাধ্যমাঙ্ক বলে।
দুটি বিন্দু চার্জের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্বে শূন্যস্থানে ক্রিয়াশীল বল ও ঐ দুই চার্জের মধ্যে একই দূরত্বে অন্য কোনো মাধ্যমে ক্রিয়াশীল বলের অনুপাত যে ধ্রুব সংখ্যা হয় তাকে ঐ মাধ্যমের তড়িৎ মাধ্যমাঙ্ক বলে।
কোষের অভ্যন্তরে বিদ্যুৎ প্রবাহ যে পরিমাণ বাধা পায় তাই কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ।
0°C তাপমাত্রায় একক রোধের কোনো পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পরিবাহীর রোধের যে বৃদ্ধি ঘটে তাকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের উষ্ণতা গুণাঙ্ক বলে।
0°C তাপমাত্রায় একক রোধের কোনো পরিবাহীর তাপমাত্রা 1K বাড়ালে এর রোধ যে পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তাকে রোধের উষ্ণতা সহগ বলে।
তড়িৎ বর্তনীর কোনো সংযোগ বিন্দুতে মিলিত প্রবাহগুলোর বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য। অর্থাৎ যেকোনো সংযোগ বিন্দুতে ∑i=0 ।
প্রতি ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য একক রোধ সম্পন্ন কোনো পরিবাহীর রোধের যে পরিবর্তন হয় তাকে উক্ত পরিবাহীর রোধের তাপমাত্রা গুণাঙ্ক বলে।
কোনো বদ্ধ তড়িৎ বর্তনী পরিক্রমণকালে যে সব বিভব পরিবর্তনের সম্মুখীন হতে হয় তাদের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য।
আধান নিরবচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি ন্যূনতম মানের পূর্ণ সংখ্যার গুণিতক। এ ন্যূনতম চার্জ হচ্ছে একটি ইলেকট্রন বা একটি প্রোটনের চার্জ এবং এর মান 1.6×10-19 কুলম্ব। এটিই হলো আধানের কোয়ান্টায়ন।