নিউমোনিয়া হলে করণীয়
নিউমোনিয়া ফুসফুসের একটি রোগ। নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। এ রোগ প্রতিকারের জন্য বেশি করে পানি পান করতে হবে। তরল ও গরম পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
নিউমোনিয়া ফুসফুসের একটি রোগ। নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। এ রোগ প্রতিকারের জন্য বেশি করে পানি পান করতে হবে। তরল ও গরম পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
রেনাল করপাসল বা মালপিজিয়ান অঙ্গ হলো নেফ্রনের একটি অংশ। রেনাল করপাসল দুটি অংশে বিভক্ত- গ্লোমেরুলাস ও বোম্যান্স ক্যাপসুল। বোম্যান্স ক্যাপসুল গ্লোমেরুলাসকে বেষ্টন করে রাখে। বোম্যান্স ক্যাপসুল দ্বিস্তর বিশিষ্ট পেয়ালার মতো প্রসারিত অংশ। অন্যদিকে গ্লোমেরুলাস ছাঁকনির মতো কাজ করে রক্ত থেকে পরিস্রুত তরল উৎপন্ন করে।
শোষিত খাদ্যবস্তুর প্রোটোপ্লাজমে পরিণত বা রূপান্তরিত করার পদ্ধতি হলো আত্মীকরণ। কোষের প্রোটোপ্লাজম নিঃসৃত এনজাইমের সহায়তায় অ্যামাইনো এসিড, গ্লুকোজ, ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল, আমিষ, স্নেহ ও শর্করা তৈরি হয়। ফলে কোষের ক্ষয়পূরণ, গঠন এবং দেহের বৃদ্ধি ঘটে। তাই আত্তীকরণকে গঠনমূলক বা উপচিতি প্রক্রিয়া বলা হয়।
রেডিয়েশন বা তেজষ্ক্রিয়তা প্রয়োগের মাধ্যমে কোন রোগ নিরাময়কে বলা হয় রেডিয়েশন থেরাপি। ক্যান্সার আক্রান্ত ফুসফুসে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় নির্দিষ্ট সময় ধরে রেডিয়েশন প্রয়োগ করলে একসময় ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো ধ্বংস হয়। এতে ক্যান্সার আক্রান্ত ফুসফুস ধীরে ধীরে সুস্থ্য ও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। এ কারণেই ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিকারে রেডিয়েশন থেরাপি প্রয়োগ করা হয়।
বিভিন্ন কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হয়ে থাকে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ধূমপান, আয়নীয় বিকিরণ, ফুসফুসের পুরনো ক্ষত, দীর্ঘকাল স্থায়ী ফুসফুসীয় প্রতিবন্ধকতামূলক রোগ ইত্যাদি। তাছাড়াও তেজষ্ক্রিয় আকরিক উত্তোলনকারী, নিকেল শোধনকারী এবং ক্রোমেট ও কোলগ্যাস উৎপাদনে নিয়োজিত শ্রমিকরা ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকে।
হাঁপানি একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ হলেও, জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন এবং সতর্কতা অবলম্বন করে এর প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। আসুন জেনে নিই হাঁপানি প্রতিরোধে কী কী করা যেতে পারে। হাঁপানী প্রতিরোধে করণীয় নিম্নরূপ-
অস্টিওব্লাস্ট হল এমন একটি বিশেষ ধরনের কোষ যা আমাদের শরীরে হাড় গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কোষগুলিকে হাড়ের “নির্মাণকারী” বলা যেতে পারে, কারণ এগুলোই নতুন হাড় তৈরি করে এবং হাড়ের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। অস্টিওব্লাস্টের কাজ অস্টিওব্লাস্টের গুরুত্ব সংক্ষেপে, অস্টিওব্লাস্ট হল আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কোষ, যা হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং … Read more
গেঁটেবাত গেঁটেবাত এক ধরনের বাত রোগ। অনেকদিন যাবৎ বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করা হলে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রেও গিঁটে ব্যথা হতে পারে। গেঁটেবাতের লক্ষণ