কৈশিক জালিকা কাকে বলে?
পেশিতন্তুতে চুলের মতো অতি সূক্ষ্ম যে রক্ত নালিকা দেখা যায় তাকে কৈশিক জালিকা বলে। এগুলো একস্তরী এবং একদিকে ক্ষুদ্রতম ধমনি ও অন্যদিকে ক্ষুদ্রতম শিরার মধ্যে সংযোগ সাধন করে। এদের প্রাচীর অত্যন্ত পাতলা।
পেশিতন্তুতে চুলের মতো অতি সূক্ষ্ম যে রক্ত নালিকা দেখা যায় তাকে কৈশিক জালিকা বলে। এগুলো একস্তরী এবং একদিকে ক্ষুদ্রতম ধমনি ও অন্যদিকে ক্ষুদ্রতম শিরার মধ্যে সংযোগ সাধন করে। এদের প্রাচীর অত্যন্ত পাতলা।
যে কোণের মান ৯০ ডিগ্রি এর চেয়ে কম তাকে সূক্ষ্মকোণ বলে। যে ত্রিভুজের তিনটি কোণই সূক্ষ্মকোণ তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ বলে।সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজের যেকোনো দুইটি কোণের সমষ্টি সবসময়ই ৯০ ডিগ্রি এর চেয়ে বেশি। সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজের প্রকারভেদ সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজকে নিম্নলিখিত উপায়ে মোটামুটিভাবে আলাদা করা যায়।
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। সেসব ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল। অন্যকথায় ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়। ১. ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ২. ক্রিয়া বিভক্তি।
রক্তশূন্যতা হলো মূলত রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। বিভিন্ন কারণে রক্তশূন্যতা ঘটতে পারে। অত্যাধিক রক্তপাত ঘটা, কৃমির আক্রমণ, লৌহ গঠিত খাদ্য উপাদান শরীরে যথাযথভাবে শোষিত না হওয়া, বাড়ন্ত শিশু বা গর্ভবতী নারীদের খাদ্যে লৌহের পরিমাণ কম থাকা, অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটা, কম বয়সী শিশুদের খাদ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ লৌহের অভাব হওয়া ইত্যাদি কারণে রক্তশূন্যতা হতে … Read more
পদার্থবিজ্ঞানের বহুসংখ্যক শূন্যযুক্ত মানসমূহ সাধারণভাবে লেখার সময় আমাদের সাবধান থাকতে হবে প্রতিক্ষেত্রেত শূন্যের সংখ্যা ঠিকমত উল্লেখ করা হয়েছে কিনা। কিন্তু এই সংখ্যাটিকেই যদি আমরা এককের উপসর্গ ব্যবহার করে লিখি, তাহলে অনেক সুবিধাজনক, সংক্ষিপ্ত ও নির্ভুলভাবে লেখা সম্ভব হয। যেমন : 0.00001 m রাশিটিকে লেখা যেতে পারে 10 μm।
তড়িৎক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলে। তড়িৎ বলরেখা (Electric Lines of Force) দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে। এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন। বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা। বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি … Read more
সহিহ মুসলিম হলো সিহাহ সিত্তাহর দ্বিতীয় হাদিস গ্রন্থ।
ল্যাটিন শব্দ Mandamus বা পরমাদেশ শব্দটির অর্থ হলো আমরা আদেশ করি। পরমাদেশ জারি করে সুপ্রিমকোর্ট বা হাইকোর্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা অধস্তন আদালত বা সরকারকে নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।