সময় বা কালগত উপযোগ কাকে বলে?

কোনো কোনো দ্রব্যের উপযোগ সময়ের ব্যবধানের জন্য বিভিন্ন হয়ে থাকে। কোনো দ্রব্য উৎপাদনের পর কিছুকাল মজুদ রাখলে উপযোগ বৃদ্ধি পায়। এরূপ উপযোগকে সময়গত বা কালগত উপযোগ বলে যেমন, ফসল কাটার পর কিছুকাল সংরক্ষণের পর বিক্রি করলে বেশি মূল্য পাওয়া যায়।

সেবাগত উপযোগ কাকে বলে?

কোনো এক ব্যক্তির কাছে কোনো পন্যের উপযোগ কম, অথচ ঐ পণ্যটির উপযোগ আরেক ব্যক্তির কাছে বেশি। এমতবস্থায়, পণ্যটি হস্তান্তর হলে উপযোগ বৃদ্ধি পায়। যেমন- গৃহস্থের বাড়ীতে নারিকেলের ছোবড়ার তেমন মূল্য নেই, কিন্তু ছোবড়া শিল্পের মালিকের কাছে এর মূল্য অনেক বেশি। পণ্যের উৎপাদনের আলোচনার সঙ্গে সেবা কর্মের সৃষ্টি ও বৃদ্ধির আলোচনাও অন্তর্ভূক্ত। মানুষ তার শ্রম ও … Read more

হ্যালোজেন কাকে বলে? হ্যালোজেনের মূল উৎস কী? ছদ্ম হ্যালোজেন কাকে বলে? হ্যালোজেনের ব্যবহার

হ্যালোজেন কাকে বলে? গ্রুপ-17 তে অবস্থিত মৌল F, Cl, Br, I এবং At এই 5টি মৌলকে একত্রে হ্যালোজেন বলে। হ্যালোজেন শব্দের অর্থ লবণ গঠনকারী। এরা সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে একটি ইলেকট্রন গ্রহণের মাধ্যমে হ্যালাইড আয়ন তৈরি করে। হ্যালোজেন সমূহের মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। এরা নিজে নিজেই ইলেকট্রন ভাগাভাগির মাধ্যমে দ্বি-মৌল অণু তৈরি করে। হ্যালোজেনের মূল উৎস কী? … Read more

বেরিয়ামকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয় কেন?

যে সকল ধাতু মাটিতে যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার তৈরি করে তাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। বৈশিষ্ট্য অনুসারে গ্রুপ-2 এর মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। বেরিয়াম মৌলটি পর্যায় সারণির দ্বিতীয় গ্রুপে অবস্থিত। মৌলটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার [Ba(OH)2] তৈরি করে।

পর্যায় সারণির সুবিধাগুলো কি কি?

রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন ও প্রয়োগকারীদের জন্য পর্যায় সারণি একটি অপরিহার্য হাতিয়ার। আধুনিক পর্যায় সারণি ব্যতিত রসায়ন চর্চা সম্ভব নয়। নিম্নে পর্যায় সারণির সুবিধাগুলো উল্লেখ করা হলো-

মৌলের একাধিক যোজ্যতা প্রদর্শনের কারণ কি?

কিছু মৌলের যোজ্যতা অবস্থাভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ এরা একাধিক যোজ্যতা প্রদর্শন করে। সাধারণত মৌলের সর্বশেষ কক্ষপথের উপস্তরসমূহের মধ্যে ইলেকট্রন পুনর্বিন্যাসের কারণে বেজোড় ইলেকট্রন সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। উচ্চ পারমাণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট মৌলসমূহ পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে। যেমন – কার্বনের স্বাভাবিক ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ- C(6) : 1s22s22px12py1 যেখানে, কার্বনের যোজনী 2। কারণ কার্বনের 2টি বেজোড় ইলেকট্রন রয়েছে। … Read more

নিষ্ক্রিয় মৌলগুলো যোজ্যতা শূন্য কেন?

নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ পর্যায় সারণির গ্রুপ – 18 তে অবস্থিত। এদের সর্ববহিঃস্থ স্তরের ইলেকট্রনীয় কাঠামো 1s2  বা  ns2np6। ইলেকট্রনীয় কাঠামো থেকে দেখা যায়, মৌলসমূহের সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ। অর্থাৎ দ্বিত্ব বা অষ্টক পূর্ণ থাকায় এরা সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে কোনো ইলেকট্রন গ্রহণ বা ত্যাগ করতে পারে না। এ স্থায়ী ইলেকট্রনীয় গঠনের কারণে এদের ইলেকট্রন আসক্তিও শূন্য। এ কারণে … Read more

আয়ন কাকে বলে? আয়নের প্রকারভেদ, অ্যানায়ন কাকে বলে? ক্যাটায়ন কাকে বলে?

আয়ন কাকে বলে?  রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে সব পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ (মূলক) এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জনের মাধ্যমে ঋণাত্মক বা ধনাত্মক চার্জগ্রস্থ হয়, তাকে আয়ন বলে। আয়নসমূহকে সাধারণত সংশ্লিষ্ট মৌলের প্রতীকের ডানপার্শ্বে ও উপরের দিকে ‘+’ বা ‘-’ চিহ্ন লিখে প্রকাশ করা হয়।উদাহরণ : সালফেট আয়ন (SO₄²–), হাইড্রোজেন আয়ন (H+)। আয়নের প্রকারভেদ আয়ন … Read more

error: Content is protected !!