মূলটুপি বা মূলত্র কাকে বলে?

মূলকে কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। এর শেষ প্রান্তে টুপির মতো অংশটি হচ্ছে মূলটুপি বা মূলত্র। আঘাত থেকে মূলকে রক্ষা করা এর কাজ। এর পেছনের অংশটি বর্ধিষ্ণু অঞ্চল। এ স্থানে মূলের বৃদ্ধি ঘটে। এই এলাকার পেছনে সূক্ষ্ম লোমশ মূলরোম অঞ্চল অবস্থিত।

স্থানিক মূল কাকে বলে?

এক্ষেত্রে ভ্রুণমূল বৃদ্ধি পেয়ে সরাসরি মাটির ভিতর প্রবেশ করে শাখা – প্রশাখা বিস্তার করে। স্থানিকমূলে প্রধান মূল থাকে। যথা – মূলা, আম, জাম, মরিচ, সরিষা ইত্যাদির উদ্ভিদের মূল। 

ঠেস মূল কাকে বলে?

ঠেস মূল কাকে বলে? কোনো কোনো উদ্ভিদের প্রধান কাণ্ড দুর্বল হওয়ার ফলে সোজাভাবে দাঁড়াতে পারে না। তাই কাণ্ডের গোড়ার দিক থেকে কতগুলি অস্থানিক মূল বের হয়ে তির্যকভাবে প্রবেশ করে। এগুলোকে ঠেস মূল বলে। ঠেস মূলের উদাহরণ ম্যানগ্রোভ গাছের ঠেস মূল খুবই সাধারণ। এই ধরনের গাছগুলি সমুদ্রের তটবর্তী এলাকায় পাওয়া যায় এবং ঠেস মূল তাদের নোনা … Read more

গুচ্ছ মূল কাকে বলে?

ধান, ঘাস, বাঁশ ইত্যাদি উদ্ভিদের মূল লক্ষ করলে দেখা যাবে যে, কাণ্ডের নিচের দিকে এক গুচ্ছ সরু মূল সৃষ্টি হয়েছে। এরা গুচ্ছমূল। ভ্রূণমূল নষ্ট হয়ে সে স্থান থেকেও গুচ্ছ মূল উৎপন্ন হতে পারে। যেমন – ধান, নারিকেল, সুপারি ইত্যাদি।

অগুচ্ছ মূল কাকে বলে?

এসব মূল একত্রে গাদাগাদি করে গুচ্ছাকারে জন্মায় না বরং পরস্পর থেকে আলাদা থাকে। কেয়া গাছের ঠেশমূল, বটের ঝুরিমূল এর ধরনের অগুচ্ছ মূল।

মূলের কাজ কি?

মূল উদ্ভিদকে মাটির সাথে শক্তভাবে আটকে রাখে ঝড় বাতাসে সহজে হেলে পড়ে না। মূল মাটি থেকে পানি ও খনিজ পদার্থ শোষণ করে। আমরা জানি, মূলে মূলরোম অঞ্চল বলে একটি অংশ থাকে। এখানে অসংখ্য সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম রোম উৎপন্ন হয় যার মাধ্যমে উদ্ভিদ পানি ও খনিজ পদার্থ সংগ্রহ করে।

error: Content is protected !!