প্রথা বহির্ভূত শিক্ষা (Non-formal Education) হলো একটি সুপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, যা গতানুগতিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে পরিচালিত হয়। এই শিক্ষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নমনীয়তা; এটি শিক্ষার্থীকে তাদের নিজস্ব সময়, স্থান এবং সামর্থ্য অনুযায়ী শেখার সুযোগ করে দেয়। এতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বয়সসীমা বা কঠোর ধরাবাঁধা নিয়ম থাকে না, ফলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী বা কর্মজীবী মানুষেরা সহজেই এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। প্রথা বহির্ভূত শিক্ষা মূলত জীবনমুখী ও কর্মমুখী, যা হাতে-কলমে শিক্ষার মাধ্যমে কোনো বিশেষ দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্ক প্রথাগত বিদ্যালয়ের তুলনায় অনেক বেশি শিথিল ও সহযোগিতামূলক হয়। এটি সমাজের পিছিয়ে পড়া বা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে সাক্ষরতা এবং সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।