কার্যকরী সাক্ষরতা বলতে কেবল অক্ষরজ্ঞান বা নাম লিখতে পারার ক্ষমতাকে বোঝায় না, বরং বাস্তব জীবনে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজের ও সমাজের উন্নয়ন করার দক্ষতাকে বোঝায়। এটি এমন এক ধরনের যোগ্যতা যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
উদাহরণস্বরূপ, একজন কার্যকরী সাক্ষরতা সম্পন্ন ব্যক্তি ব্যাংকের ফরম পূরণ করা, ওষুধের নির্দেশিকা পড়া, প্রযুক্তির ব্যবহার বুঝতে পারা বা গণনার মাধ্যমে হিসেব মেলাতে সক্ষম হন। মূলত, যে শিক্ষা মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলে এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়, তাকেই কার্যকরী সাক্ষরতা বলা হয়।