কুরআনের বাণী আয়াতসহ

১. দুঃখ ও দুশ্চিন্তা নিরাময়ে

“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে।” (সূরা আল-ইনশিরাহ, আয়াত: ৬)

“তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না; তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।” (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৩৯)

২. ধৈর্য ও সহনশীলতা

“নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।” (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৫৩)

“আমি অবশ্যই তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করব; তবে আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদের।” (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৫৫)

৩. রাগ নিয়ন্ত্রণ

“যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় দান করে এবং যারা রাগ সংবরণকারী ও মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল; আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।” (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৩৪)

৪. মনের শান্তি ও প্রশান্তি

“জেনে রেখো, আল্লাহর জিকির (স্মরণ) দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।” (সূরা আর-রাদ, আয়াত: ২৮)

৫. আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা)

“যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক, আয়াত: ৩)

৬. ভালোবাসার নিদর্শন ও প্রশান্তির উৎস

“তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে অন্যতম হলো—তিনি তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের জোড়া সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাদের নিকট প্রশান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা আর-রূম, আয়াত: ২১)

“তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীরা) তাদের পোশাক।” (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৮৭)

“তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে (উত্তম পন্থায়) জীবনযাপন করো। যদি তোমরা তাদেরকে অপছন্দও করো, তবে এমন হতে পারে যে, তোমরা কোনো কিছুকে অপছন্দ করছ অথচ আল্লাহ তাতে অনেক কল্যাণ রেখেছেন।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৯)

“পুরুষেরা নারীদের ওপর দায়িত্বশীল, যেহেতু আল্লাহ তাদের একে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং যেহেতু তারা তাদের সম্পদ থেকে ব্যয় করে।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩৪)

“তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহর স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদান করো।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪)

“যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি মানুষকে শিখিয়েছেন যা সে জানত না।” (সূরা আল-আলাক, আয়াত: ৪-৫)

“আর তিনি আদমকে সকল জিনিসের নাম শেখালেন।” (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ৩১)

“তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন… যিনি তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করেন, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত।” (সূরা আল-জুমুআহ, আয়াত: ২)

“বলুন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে?” (সূরা আজ-জুমার, আয়াত: ৯)

“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবেন।” (সূরা আল-মুজাদালাহ, আয়াত: ১১)

“নিশ্চয়ই যারা গোপন করে আমি যেসব উজ্জ্বল নিদর্শন ও হেদায়েত নাযিল করেছি… তাদের ওপর আল্লাহর লানত (অভিসম্পাত)।” (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৫৯)

রব্বি যিদনি ইলমা। অর্থ: “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।” (সূরা তোয়াহা, আয়াত: ১১৪)

“অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।” (সূরা লুকমান, আয়াত: ১৮)

“তোমরা একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা (গিবত) করো না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে?” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ১২)

error: Content is protected !!