শিক্ষার ব্যক্তিতান্ত্রিক লক্ষ্যের মূল কথা হলো সমাজ বা রাষ্ট্রের প্রয়োজনের তুলনায় ব্যক্তির নিজস্ব সম্ভাবনা ও গুণাবলির বিকাশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। এই মতবাদ অনুযায়ী, প্রতিটি শিশু এক একটি স্বতন্ত্র সত্তা এবং তার সুপ্ত মেধা, সৃজনশীলতা, রুচি ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার পূর্ণ উন্মেষ ঘটানোই শিক্ষার প্রধান কাজ। এখানে শিক্ষার্থীকে কোনো ছাঁচে ফেলে গড়ে তোলার পরিবর্তে তার নিজস্ব গতিতে ও স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা হয়, যাতে সে একজন আত্মনির্ভরশীল ও পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
সহজ কথায়, সমাজকে উন্নত করার আগে ব্যক্তিকে শিক্ষিত ও বিকশিত করাই হলো এই লক্ষ্যের মূল দর্শন।