কার্যকরী শিখনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কেবল তথ্য মুখস্থ করার পরিবর্তে শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং গভীর অনুধাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করে। এই প্রক্রিয়ায় শিখন উদ্দেশ্য অত্যন্ত স্পষ্ট থাকে এবং অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনের সাথে সম্পৃক্ত হয়, যা শিক্ষার্থীর মধ্যে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। একটি মানসম্মত কার্যকরী শিখন পরিবেশে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ বজায় থাকে এবং নিয়মিত গঠনমূলক ফিডব্যাকের মাধ্যমে ভুল সংশোধনের সুযোগ থাকে। এছাড়া, এটি শিক্ষার্থীর পূর্বজ্ঞানের সাথে নতুন তথ্যের সংযোগ ঘটায় এবং তাদের মধ্যে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা (Critical Thinking) ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। সর্বোপরি, কার্যকরী শিখন হলো একটি ধারাবাহিক ও আনন্দদায়ক প্রক্রিয়া যা শিক্ষার্থীকে স্বাবলম্বী করে তোলে এবং স্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে আচরণের ইতিবাচক রূপান্তর ঘটায়।