গতিবিদ্যা | HSC পদার্থবিজ্ঞান Notes

পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র নোট
গতিবিদ্যা নোট

প্রসঙ্গ কাঠামো

যে দৃঢ় বস্তুর সাপেক্ষে কোনো স্থানে কোনো বিন্দু বা বস্তুকে সুনির্দিষ্ট করা হয় তাকে প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

জড় প্রসঙ্গ কাঠামো

পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুব বেগে গতিশীল যেসব প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের গতিসূত্র অর্জন করা যায় তাদেরকে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

অবস্থান ভেক্টর

প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে যে ভেক্টর দিয়ে কোনো বিন্দুর অবস্থান নির্ণয় করা যায় তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।

সরণ

কোনো বস্তুর অবস্থান ভেক্টরের পরিবর্তনকে সরণ বলে। কোনো বস্তুর আদি অবস্থান ও শেষ অবস্থানের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব অর্থাৎ সরলরৈখিক দূরত্বই হচ্ছে সরণের মান এবং সরণের মান এবং সরণের দিক হচ্ছে বস্তুর আদি অবস্থান থেকে শেষ অবস্থানের দিকে।

বেগ বা তাৎক্ষণিক বেগ

সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে বস্তুর সরণের হারকে বেগ বা তাৎক্ষণিক বেগ বলে।

সমবেগ বা সুষম বেগ

যদি কোনো বস্তুর গতিকালে তার বেগের মান ও দিক অপরিবর্তিত থাকে তাহলে সেই বস্তুর বেগকে সববেগ বলে। শব্দের বেগ, আলোর বেগ সমবেগের উদাহরণ।

অসম বেগ

বস্তুর গতিকালে যদি তার বেগের মান বা দিক বা উভয়ই পরিবর্তিত হয় তাহলে সেই বেগকে অসম বেগ বলে।

ত্বরণ বা তাৎক্ষণিক ত্বরণ

সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বা তাৎক্ষণিক ত্বরণ বলে।

সমত্বরণ বা সুষম ত্বরণ

যদি কোনো বস্তুর গতিকালে তার ত্বরণের মান ও দিক অপরিবর্তিত থাকে তাহলে সেই বস্তুর ত্বরণকে সমত্বরণ বা সুষম ত্বরণ বলে।

অসমত্বরণ

যদি কোনো বস্তুর গতিকালে তার ত্বরণের মান বা দিক বা উভয়ই পরিবর্তিত হয় তাহলে সেই ত্বরণকে অসমত্বরণ বলে।

পড়ন্ত বস্তু

কোনো বস্তু উপর থেকে নিচে পড়ুক বা কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হোক, বস্তুর উপর কেবল অভিকর্ষের ফলে ত্বরণ নিচের দিকে ক্রিয়া করলেই তাকে পড়ন্ত বস্তু বলা হয়।

প্রক্ষেপক বা প্রাস 

কোনো বস্তুকে অনুভূমিকের সাথে তীর্যকভাবে নিক্ষেপ করা হলে তাকে প্রক্ষেপক বা প্রাস বলে।

প্রক্ষেপকের বা প্রাসের অনুভূমিক পাল্লা

প্রক্ষেপকটি আদি উচ্চতায় ফিরে আসতে যে অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে অনুভূমিক পাল্লা বলে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন