Featured Post

বৃত্তিমূলক নির্দেশনা কাকে বলে? শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে বৃত্তিমূলক নির্দেশনার কার্যাবলি

বৃত্তিমূলক নির্দেশনা (Vocational Guidance) কাকে বলে? শিক্ষার তিনটি স্তর যথা: প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা। মূলত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর থেকেই শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য প্রস্তুত করা হয়। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে শিল্প ও সেবার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বৃত্তির উদ্ভব হয়। বহুমুখী ও বৈচিত্র্যময় বৃত্তির সুযোগ তৈরি হয়। তাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে কোন পেশার জন্য কে উপযুক্ত তার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। যেহেতু সকল পেশার জন্য সকল শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিকভাবে সমান পারদর্শী নয়, তেমনি শিক্ষার্থী ভেদে পেশার প্রতি আগ্রহ ও মনোভাবও এক রকম নয়। বৃত্তিমূলক নির্দেশনায় শিক্ষার্থীর কাজের প্রতি আগ্রহ, মনোভাব ও প্রবণতা অনুযায়ী নির্দেশনা দিলে সে উপযুক্ত পেশা নির্বাচনে সচেষ্ট হবে। এছাড়া বৃত্তিমূলক নির্দেশনার মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসংস্থান সম্পর্কে ধারণা প্রদানের জন্য বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ জানায়। বৃত্তিমূলক নির্দেশনার আওতায় শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠানে নিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন বৃত্তি সম্পর্কে পরিচিত করে তোলা হয়। শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে বৃত্তিমূলক নির্দেশনার কার্যাবলি শিক্ষার বিভিন

মূল্যবোধ সৃষ্টিতে ও জবাবদিহি প্রক্রিয়ায় হিসাববিজ্ঞানের ভূমিকা

মূল্যবোধ সৃষ্টিতে ও জবাবদিহি প্রক্রিয়ায় হিসাববিজ্ঞানের ভূমিকা

মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি ও সমাজের চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস, ধ্যান-ধারণা প্রভৃতির সমন্বয়ে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা একটি মানদণ্ড যার দ্বারা মানুষ কোন বিষয়ের ভাল-মন্দ বিচার করে ভালোকে গ্রহণ ও মন্দকে বর্জন করে। নিম্নে মূল্যবোধ সৃষ্টিতে হিসাববিজ্ঞান কিভাবে সহায়তা করে তা আলোচনা করা হল-

১. সততা ও দায়িত্ববোধের বিকাশঃ হিসাবরক্ষণের ক্ষেত্রে হিসাববিজ্ঞানের রীতি নীতি ও কলাকৌশল যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে আর্থিক দুর্নীতি, জালিয়াতি, সম্পদ ইত্যাদির উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং হিসাবের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। আর বছরের পর বছর এর অনুসরণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও দায়িত্ববোধ বিকশিত হয়।

২. ঋণ পরিশোধ সচেতনতা সৃষ্টিঃ হিসাববিজ্ঞান ঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে ঋণ পরিশোধে সচেতনতা সৃষ্টি করে এবং তাদের মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ফলে ঋণ খেলাপী হবার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

৩. ধর্মীয় মূল্যবোধ সৃষ্টিঃ সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় পরিহার ধর্মীয় মূল্যবোধের অংশ। সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করলে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে আয় বুঝে ব্যয় করার মানসিকতা সৃষ্টি ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

৪. সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টিঃ সরকারের আয়ের অন্যতম উৎসগুলো হচ্ছে ভ্যাট, কাস্টমস্ ডিউটি, আয়কর প্রভৃতি। হিসাববিজ্ঞানের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সঠিক আয় ও ব্যয় নির্ণয় করা সম্ভব। ফলে কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা লোপ পায়।

৫. জালিয়াতি ও প্রতারণা প্রতিরোধঃ সুষ্ঠু হিসাব ব্যবস্থা প্রচলিত থাকলে সম্ভাব্য শাস্তি ও দুর্নামের ভয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে জালিয়াতি, তহবিল তছরূপ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রবণতা হ্রাস পায়।

আরো পড়ুনঃ 

👉  হিসাববিজ্ঞানের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা লিখ।

👉  হিসাববিজ্ঞান কাকে বলে?

👉  হিসাববিজ্ঞানের ২টি উদ্দেশ্য লিখ। 

সর্বাধিক পঠিত পোষ্টসমূহ

প্রাতিষ্ঠানিক পত্র কাকে বলে?

নদী শাসন কাকে বলে?

উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য

প্রতিবেদন কি? প্রতিবেদন কাকে বলে?

ডিজিটাল বাংলাদেশ কাকে বলে?

লেখচিত্র কাকে বলে? লেখচিত্রের শ্রেণিবিভাগ

মাটি কাকে বলে?

অধিকার কাকে বলে?

ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

প্রবন্ধ কাকে বলে? প্রবন্ধের শ্রেণীবিভাগ, প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য