নতুন পোষ্ট

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য ব্যবসায় উদ্যোগের ধারণা বিশ্লেষণ করলে যে সকল বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি লক্ষ করা যায় তা হলোঃ ১) এটি ব্যবসায় স্থাপনের কর্ম উদ্যোগ। ব্যবসায় স্থাপন সংক্রান্ত সকল কর্মকাণ্ড সফলভাবে পরিচালনা করতে ব্যবসায় উদ্যোগ সহায়তা করে। ২) ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসায় পরিচলনা। ব্যবসায় উদ্যোগ সঠিকভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করতে এবং পরিমিত ঝুঁকি নিতে সহায়তা করে। ৩) ব্যবসায় উদ্যোগের ফলাফল হলো একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। এর মানে হলো ব্যবসায় উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা কোনো চিন্তা-ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করে। ৪) ব্যবসায় উদ্যোগের অন্য একটি ফলাফল হলো একটি পণ্য বা সেবা। ৫) ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা করা। ৬) নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা নিজের উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পারেন। ৭) অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগ মালিকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। ৮) নতুন সম্পদ সৃষ্টি করা ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় তেমনি মূলধনও গঠন হয়।  ৯) সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতি

আইন কাকে বলে? আইনের বৈশিষ্ট্য সমূহ

আইন কাকে বলে?

আইন ফার্সি শব্দ। ফার্সি ভাষায় আইন শব্দের অর্থ সুনির্দিষ্ট নীতি বা নিয়ম। সমাজ জীবনে প্রচলিত বিধি-বিধানের নামই আইন।

আইনের প্রামাণ্য সংজ্ঞা

গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটলের মতে, "আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি।"

আইনবিদ জন অস্টিনের মতে, "সার্বভৌম শক্তির আদেশই আইন।"

অধ্যাপক হল্যান্ড বলেন, "আইন হল মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের এমন কতকগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দ্বারা প্রযুক্ত হয়।"

স্যার হেনরি মেইনের মতে, "আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমাউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল।"

আইনের সার্বজনীন ও উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন। তার মতে, "আইন হলো সমাজের যে সব সুপ্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি যেগুলো সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যাদের পিছনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে।"

আইনের উপরিউক্ত সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষণ করে বলা যেতে পারে যে, আইন হল মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কতগুলো বিধিবদ্ধ নিয়মাবলি, যা রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক গৃহীত, সমর্থিত ও প্রযুক্ত হয়। জনগণের কল্যাণের জন্য আইন অত্যাবশ্যক। আইন ভঙ্গ করলে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন বল প্রয়োগ ও শাস্তি প্রদান করে আইন মেনে চলতে বাধ্য করে।

আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ

আইন সম্পর্কে প্রদত্ত সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষণ করলে আইনের নিম্নোক্ত মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলো ধরা পড়ে। বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ -

১) আইনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রথা, রীতি-নীতি ও নিয়ম-কানুনের সমষ্টি।

২) আইনের আর একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল বিধি বিধান প্রচলিত নিয়ম-কানুন বা প্রথাসমূহ যা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন ও স্বীকৃতির প্রয়োজন হয়। 

৩) আইন সার্বজনীন। সকল মানুষই আইনের দৃষ্টিতে সমান। জাতি-ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা নির্বিশেষে সকল মানুষের উপর আইন সমভাবে প্রযোজ্য।

৪) আইনের বিধানগুলো সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট। সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইন বলবৎ হয়। এ জন্যই আইনের ক্ষেত্রে কোন অস্পষ্টতা থাকে না।

৫) কেউ আইন ভঙ্গ করলে শাস্তি পেতে হয়। আইনের ব্যতিক্রম সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিধায় আইন অবশ্যই পালনীয়। তাই আইন ভঙ্গ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

৬) আইন হচ্ছে সার্বভৌম শক্তির আদেশ। তাই সকলেই আইন মেনে চলতে বাধ্য। সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক সমর্থিত বিধায় আইনের স্থান সবার ঊর্ধ্বে।

৭) আইন প্রধানত মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের চিন্তা ভাবনার সাথে আইনের প্রত্যক্ষ কোন সম্পর্ক নেই।

আরো পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ

অন্যরা যা পড়ছেন...

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

চার্জ বা আধান কাকে বলে?

ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

এস.এস.সি পরীক্ষার বোর্ড প্রশ্ন ২০২০

পরিসংখ্যান কাকে বলে?

সন্নিহিত কোণ কাকে বলে?