নতুন পোষ্ট

শিল্প কাকে বলে?

শিল্প কাকে বলে? যে প্র্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ এবং একে উপযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের উপযোগী পণ্য প্রস্তুত করা হয় তাকে শিল্প বলে। শিল্প উৎপাদনের বাহন। উৎপাদনের প্রক্রিয়া ও কর্মপ্রচেষ্টার ভিন্নতার কারণে শিল্পকে প্রধানত নিম্নোক্ত ভাগে ভাগ করা যায়। প্রজনন শিল্পঃ যে শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় সৃষ্টি বা উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে প্রজনন শিল্প বলে। যেমনঃ হ্যাচারী, নার্সারী, হাঁস-মুরগীর খামার প্রভৃতি। নির্মাণ শিল্পঃ যে শিল্পের মাধ্যমে রাস্তাঘাট, সেতু, বাঁধ, দালান কোঠা ইত্যাদি নির্মাণ করা হয় তাকে নির্মাণ শিল্প বলে। প্রস্তুত শিল্পঃ শ্রম ও যন্ত্রের সাহায্যে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল বা অর্ধ প্রস্তুত জিনিসকে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্যে প্রস্তুত করার প্রচেষ্টাকে প্রস্তুত শিল্প বলে। রেয়ন শিল্প, ইস্পাত শিল্প প্রভৃতি। সেবা পরিবেশক শিল্পঃ যে শিল্পে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ ও আরামদায়ক করার কাজে নিয়োজিত থাকে তাকে সেবা পরিবেশক শিল্প বলে। যেমনঃ গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান এরূপ শিল্পের আওতাভুক্ত। নিষ্কাশন শিল্পঃ যে শিল্প প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ পানি বা বায়ু

অক্ষর কাকে বলে?

অক্ষর কাকে বলে?

অক্ষর হচ্ছে বাগ্যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। ইংরেজিতে আমরা যাকে সিলেবল বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। যেমন—‘বন্ধন’ শব্দটিতে বন্ + ধন—এ দুটি অক্ষর আছে। সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ভাষাতাত্ত্বিকরা অক্ষরকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

যেমন—

♦ ‘নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে একই বক্ষস্পন্দনের ফলে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয়, তাকেই সিলেবল বা অক্ষর বলা যেতে পারে।’ —মুহম্মদ আব্দুল হাই

♦ ‘কোনো শব্দে যখন যে ধ্বনিসমষ্টি একসময়ে একত্রে উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বলে।’ —ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

♦ ‘এক প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি সমষ্টির নাম অক্ষর (সিলেবল)।’

অক্ষরের প্রকারভেদ

অক্ষর দুই প্রকার। যথা– ক. স্বরান্ত অক্ষর এবং খ. ব্যঞ্জনান্ত অক্ষর।
ক. স্বরান্ত অক্ষর : যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে স্বরান্ত অক্ষর বলে। 
যেমন- ভাষা = ভ + আ + ষ + আ; আশা = আ + শ + আ।

খ. ব্যঞ্জনান্ত অক্ষর : যে অক্ষরের শেষে ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে ব্যঞ্জনান্ত অক্ষর বলে। 
যেমন শীতল = শী + তল; পবন = প + বন।

আরো পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ

অন্যরা যা পড়ছেন...

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

মানবিক মূল্যবোধ কি?

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য

অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

সনেট কাকে বলে?

বিশ্ব উষ্ণায়ন কাকে বলে?