Featured Post

বৃত্তিমূলক নির্দেশনা কাকে বলে? শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে বৃত্তিমূলক নির্দেশনার কার্যাবলি

বৃত্তিমূলক নির্দেশনা (Vocational Guidance) কাকে বলে? শিক্ষার তিনটি স্তর যথা: প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা। মূলত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর থেকেই শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য প্রস্তুত করা হয়। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে শিল্প ও সেবার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বৃত্তির উদ্ভব হয়। বহুমুখী ও বৈচিত্র্যময় বৃত্তির সুযোগ তৈরি হয়। তাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে কোন পেশার জন্য কে উপযুক্ত তার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। যেহেতু সকল পেশার জন্য সকল শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিকভাবে সমান পারদর্শী নয়, তেমনি শিক্ষার্থী ভেদে পেশার প্রতি আগ্রহ ও মনোভাবও এক রকম নয়। বৃত্তিমূলক নির্দেশনায় শিক্ষার্থীর কাজের প্রতি আগ্রহ, মনোভাব ও প্রবণতা অনুযায়ী নির্দেশনা দিলে সে উপযুক্ত পেশা নির্বাচনে সচেষ্ট হবে। এছাড়া বৃত্তিমূলক নির্দেশনার মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসংস্থান সম্পর্কে ধারণা প্রদানের জন্য বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ জানায়। বৃত্তিমূলক নির্দেশনার আওতায় শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠানে নিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন বৃত্তি সম্পর্কে পরিচিত করে তোলা হয়। শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে বৃত্তিমূলক নির্দেশনার কার্যাবলি শিক্ষার বিভিন

কাউন্সিলর কাকে বলে?


কাউন্সিলর কাকে বলে?

কোনও নগর বা শহরের পৌর প্রশাসন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা সর্বোচ্চ কর্মকর্তাকে পৌরকর্তা বলা হয়। সাধারণত একজন পৌরকর্তা সংশ্লিষ্ট নগরী বা শহরের পৌর প্রশাসন প্রতিষ্ঠান (যেমন পৌরসভা, পুরসভা, পৌরসংস্থা, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, সিটি কর্পোরেশন, ইত্যাদি) নির্বাহী পরিষদের প্রধান কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়াও তিনি প্রায়শই নগর বা শহরের আনুষ্ঠানিক প্রতীক বা প্রতিমা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। 
বৃহৎ নগরীর পৌরকর্তাকে বাংলাদেশে মেয়র (ইংরেজি: Mayor) পদবি দিয়ে নির্দেশ করা হয়।

সিটি কর্পোরেশনের সদস্যদেরকে মেয়র, কাউন্সিলর, প্রশাসকি প্রভৃতি বলা হয়। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত প্রধানকে মেয়র বলা হয়।

পৌরসভার সদস্যদের মেয়রের পরে যিনি অবস্থান করেন তাকেই কাউন্সিলর বলা হয়।

মেয়রকে সহযোগিতা করার জন্য রয়েছে সরাসরি নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তথা কাউন্সিলরগণ। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং প্রতি ৩ টি ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

মেয়র এবং কাউন্সিলরগণের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা

(১) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, মেয়র বা কাউন্সিলর নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হয়;
(গ) মেয়রের ক্ষেত্রে যে কোন ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় তাহার নাম লিপিবদ্ধ থাকে; এবং (ঘ) সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলরসহ অন্যান্য কাউন্সিলরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় তাহার নাম লিপিবদ্ধ থাকে।

(২) কোন ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হইবার জন্য এবং উক্তরূপ মেয়র বা কাউন্সিলর পদে থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-

(ক) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেন বা হারান;
(খ) কোন উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষিত হন;
(গ) দেউলিয়া ঘোষিত হন এবং দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(ঘ) কোন ফৌজদারী বা নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তি লাভের পর পাঁচ বৎসর কাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) প্রজাতন্ত্রের বা পৌরসভার অথবা অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোন লাভজনক পদে সার্বক্ষণিক অধিষ্ঠিত থাকেন;
(চ) কোন বিদেশী রাষ্ট্র হইতে অনুদান বা তহবিল গ্রহণ করে এইরূপ বেসরকারি সংস্থার প্রধান কার্য নির্বাহী পদ হইতে পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ বা পদচ্যুতির পর এক বৎসর অতিবাহিত না করিয়া থাকেন;
(ছ) কোন সমবায় সমিতি এবং সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ব্যতীত, সংশ্লিষ্ট পৌর এলাকায় সরকারকে পণ্য সরবরাহ করিবার জন্য বা সরকার কর্তৃক গৃহীত কোন চুক্তির বাস্তবায়ন বা সেবা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য, তাহার নিজ নামে বা তাহার ট্রাস্টি হিসাবে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের নামে বা তাহার সুবিধার্থে বা তাহার উপলক্ষ্যে বা কোন হিন্দু যৌথ পরিবারের সদস্য হিসাবে তাহার কোন অংশ বা স্বার্থ আছে এইরূপ চুক্তিতে আবদ্ধ হইয়া থাকেন;
ব্যাখ্যা৷- উপরি-উক্ত দফা (ছ) এর অধীন আরোপিত অযোগ্যতা কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না যেই ক্ষেত্রে-
(১) চুক্তিটিতে অংশ বা স্বার্থ তাহার উপর উত্তরাধিকারসূত্রে বা উইলসূত্রে প্রাপক, নির্বাহক বা ব্যবস্থাপক হিসাবে হস্তান্তরিত হয়, যদি না উহা হস্তান্তরিত হইবার পর ছয় মাস অতিবাহিত হয়; অথবা
(২) কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এ সংজ্ঞায়িত কোন পাবলিক কোম্পানীর দ্বারা বা পক্ষে চুক্তিটি সম্পাদিত হইয়াছে যাহার তিনি একজন শেয়ারহোল্ডার মাত্র, তবে উহার অধীন তিনি কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত পরিচালকও নহেন বা ম্যানেজিং এজেন্টও নহেন; অথবা
(৩) তিনি কোন যৌথ হিন্দু পরিবারের সদস্য হিসাবে চুক্তিটিতে তাহার অংশ বা স্বার্থ নাই এইরূপ কোন স্বতন্ত্র ব্যবসা পরিচালনাকালে পরিবারের অন্য কোন সদস্য কর্তৃক চুক্তি সম্পাদিত হইয়া থাকে৷
(জ) বা তাহার পরিবারের কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট পৌরসভার কার্য সম্পাদনে বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা পৌরসভার কোন বিষয়ে তাহার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে;
(ঝ) মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার তারিখে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত কোন ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী রাখেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত নিজস্ব বসবাসের নিমিত্ত গৃহ-নির্মাণ অথবা ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ ইহার আওতাভুক্ত হইবে না;
(ঞ) এমন কোন কোম্পানীর পরিচালক বা ফার্মের অংশীদারগণ যাহার কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত কোন ঋণ বা উহার কোন কিস্তি, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার তারিখে পরিশোধে খেলাপী হইয়াছেন;
ব্যাখ্যা৷- উপরি-উক্ত দফা (ঝ) ও (ঞ) এর উদ্দেশ্য সাধনকল্পে "ঋণ খেলাপী” অর্থ ঋণ গ্রহীতা ছাড়াও যিনি বা যাহাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানী বা ফার্ম Banker's Book of Account এ ঋণ খেলাপী হিসাবে চিহ্নিত আছে তাহাদেরকেও বুঝাইবে।
(ট) পৌরসভার নিকট হইতে গৃহীত কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং তা অনাদায়ী থাকে;
(ঠ) সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত নিরীক্ষকের প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত দায়কৃত অর্থ পৌরসভাকে পরিশোধ না করেন;
(ড) অন্য কোন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা জাতীয় সংসদের সদস্য হন;
(ঢ) কোন সরকারি বা আধা-সরকারি দপ্তর, কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, সমবায় সমিতি বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের চাকুরী হইতে নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি, অসদাচরণ, ইত্যাদি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া চাকুরীচ্যুত, অপসারিত বা বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত হইয়াছেন এবং তাহার এইরূপ চাকুরিচ্যুত, অপসারণ বা বাধ্যতামূলক অবসরের পর পাঁচ বৎসর কাল অতিক্রান্ত না হইয়া থাকে;
(ণ) পৌরসভার তহবিল তসরুফের কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত হন;
(ত) বিগত পাঁচ বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ ও ১৯২ এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হইয়া সাজাপ্রাপ্ত হন;
(থ) বিগত পাঁচ বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ২১৩, ৩৩২, ৩৩৩ ও ৩৫৩ এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হইয়া সাজাপ্রাপ্ত হন;
(দ) জাতীয় বা আন্তর্জাতিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক যুদ্ধাপরাধী হিসাবে দোষী সাব্যস্ত হন;
(ধ) কোন আদালত কর্তৃক ফেরারী আসামী হিসাবে ঘোষিত হন 
(ন) মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিলকৃত হলফনামায় কোন অসত্য তথ্য প্রদান করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে কোন তথ্য গোপন করেন।


(৩) প্রত্যেক মেয়র বা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়, এই মর্মে একটি হলফনামা দাখিল করিবেন যে, উপ-ধারা (২) এর অধীন তিনি মেয়র বা কাউন্সিলর নির্বাচনের অযোগ্য নহেন।

সর্বাধিক পঠিত পোষ্টসমূহ

প্রাতিষ্ঠানিক পত্র কাকে বলে?

নদী শাসন কাকে বলে?

উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য

প্রতিবেদন কি? প্রতিবেদন কাকে বলে?

ডিজিটাল বাংলাদেশ কাকে বলে?

লেখচিত্র কাকে বলে? লেখচিত্রের শ্রেণিবিভাগ

মাটি কাকে বলে?

অধিকার কাকে বলে?

ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

প্রবন্ধ কাকে বলে? প্রবন্ধের শ্রেণীবিভাগ, প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য