নতুন পোষ্ট

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য ব্যবসায় উদ্যোগের ধারণা বিশ্লেষণ করলে যে সকল বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি লক্ষ করা যায় তা হলোঃ ১) এটি ব্যবসায় স্থাপনের কর্ম উদ্যোগ। ব্যবসায় স্থাপন সংক্রান্ত সকল কর্মকাণ্ড সফলভাবে পরিচালনা করতে ব্যবসায় উদ্যোগ সহায়তা করে। ২) ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসায় পরিচলনা। ব্যবসায় উদ্যোগ সঠিকভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করতে এবং পরিমিত ঝুঁকি নিতে সহায়তা করে। ৩) ব্যবসায় উদ্যোগের ফলাফল হলো একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। এর মানে হলো ব্যবসায় উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা কোনো চিন্তা-ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করে। ৪) ব্যবসায় উদ্যোগের অন্য একটি ফলাফল হলো একটি পণ্য বা সেবা। ৫) ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা করা। ৬) নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা নিজের উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পারেন। ৭) অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগ মালিকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। ৮) নতুন সম্পদ সৃষ্টি করা ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় তেমনি মূলধনও গঠন হয়।  ৯) সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতি

ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?


ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

মানব সভ্যতার শুরু হতে ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন মানব সংগঠনে বিস্তৃত হয়ে ছিল। 

প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপক যে সকল কার্যাবলী (পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নেতৃত্ব, নিয়ন্ত্রণ) সুষ্ঠুভাব সম্পাদন করে থাকে তার সমষ্টিকে ব্যবস্থাপনা বলে।

ব্যবস্থাপনা বা Management ইটালীয় শব্দ ‘Maneggiare’ থেকে এসেছে। যার শাব্দিক অর্থ হল পরিচালনা করা (To handle)। কিন্তু কালের বিবর্তনে এটি মূলত মানব জাতিকে পরিচালনা অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে।

ব্যবস্থাপনাকে এক কথায় প্রকাশ করা কঠিন। 

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পন্ডিত ব্যক্তি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। 
নিচে কয়েকটি সংজ্ঞা দেয়া হলাে–

আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক Henry Fayol এর মতে “ব্যবস্থাপনা হলাে পূর্বানুমান ও পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, সমন্বয় সাধন এবং নিয়ন্ত্রণ করা। 

Terry & Franklin- এর মতে “ব্যবস্থাপনা হলাে এমন একটি স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া যা মানুষ ও অন্যান্য সম্পদ সমূহের সুষ্ঠু ব্যবহারের লক্ষ্যে উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও তা অর্জনের জন্যে পরিকল্পনা, সংগঠন, উদ্বুদ্ধ করন ও নিয়ন্ত্রণ কার্যের সাথে সম্পৃক্ত।”

Harold Koontz- এর মতে, “ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ তৈরী করা ও সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া যাতে দলবদ্ধ ব্যক্তিবর্গ দক্ষতার সাথে অভিষ্ট লক্ষে উপনীতি হয়।”

উপরের আলােচনার থেকে সহজেই বলা যায় যে, ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এমন একটি বিজ্ঞান সম্মত জ্ঞান যা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়ােজনীয় উপকরণ একত্রিকরণ ও এগুলাের পূর্ণ ব্যবহারের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন, সংগঠন, কর্মী সংস্থান, নির্দেশন, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাজ।

আরো পড়ুনঃ বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

মন্তব্যসমূহ

অন্যরা যা পড়ছেন...

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

চার্জ বা আধান কাকে বলে?

এস.এস.সি পরীক্ষার বোর্ড প্রশ্ন ২০২০

পরিসংখ্যান কাকে বলে?

সন্নিহিত কোণ কাকে বলে?